পরামর্শক হিসেবে নাহিদের আয় বছরে ১৬ লাখ টাকা
- আপডেট সময় : ১১:৪০:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ ২৮৫ বার পড়া হয়েছে
নিজস্ব প্রতিবেদক
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম তার হলফনামায় বর্তমান পেশা উল্লেখ করেছে পরামর্শক। তিনি শিক্ষকতা ও পরামর্শ দিয়ে আয় করেন বছরে ১৬ লাখ টাকা। কোনো দায় না থাকলেও ব্যাংকে তার ঋণ আছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে হলফনামায় এমন তথ্য উল্লেখ করেছেন তিনি।
নাহিদ ইসলামের বাবার নাম মো. বদরুল ইসলাম জমির, মাতা মমতাজ নাহার, স্ত্রী ফাতেমাতুজ জোহরা। ঢাকা-১১ আসন থেকে ভোট করবেন তিনি। বর্তমানে তার পেশা পরামর্শক, আগে ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা। শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক।
এইচ ৮৪/সি বর্তমান ঠিকানা, দক্ষিণ বনশ্রী, গোড়ান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। নিগুড় এপ্লাইড, ফকিরখালী, বড় বেরাইদ, বাড্ডা, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন তার স্থায়ী ঠিকানা।
নাহিদ ইসলামের কোনো বাড়ি, গাড়ি, ফ্ল্যাট, কৃষি, অকৃষি জমি নেই। নেই আগ্নেয়াস্ত্র ও মামলা।
ব্যাংকে ঋণ আছে সাড়ে তিন লাখ টাকা।
শিক্ষকতা, পরামর্শ দিয়ে বছরে আয় আসে ১৬ লাখ টাকা; নিজের কাছে নগদ আছে ১৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা; স্ত্রীর কাছে আছে ২ লাখ টাকা; ব্যাংকে আছে ৩ লাখ ৮৫ হাজার ৩৬৩ টাকা ৫৭ পয়সা।
এছাড়া নিজের অর্জনকালীন পৌনে ৮ লাখ টাকা মূল্যের অলংকার এবং স্ত্রীর আছে অর্জনকালীন ১০ লাখ টাকা মূল্যের গহনা। ১ লাখ টাকার ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী ও আসবাব আছে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকার। সব মিলিয়ে এনসিপি প্রধানের ৩২ লাখ ১৬ হাজার ১২২ টাকার সম্পদ আছে, গত বছরে আয় হয়েছে ১৩ লাখ ৫ হাজার ১৫৮ টাকা।
আর আয়কর দিয়েছেন ১ লাখ ১৩ হাজার ২৭৪ টাকা।
তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের সময় ৩০ ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের ৫ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারি। আপিল নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। রিটার্নিং কর্মকর্তা চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে প্রতীক বরাদ্দ করবেন ২১ জানুয়ারি। নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি। প্রচার চালানো যাবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত। আর ভোট গ্রহণ হবে ১২ ফেব্রুয়ারি।










