ঢাকা ০৮:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বেগমগঞ্জে এসআই শহীদুলের ‘মিথ্যা মামলা বাণিজ্য’: ত্রাসে দিশেহারা এক পরিবার মামলায় নাম নেই, তবুও অজ্ঞাত আসামি করে শ্যোন এরেস্ট—সেলিম প্রধানের মুক্তি চায় পরিবার প্রভাতফেরিতে একুশের অঙ্গীকার, শহীদদের স্মরণে নারিকেলবাড়ীয়া বিদ্যালয়ের পুষ্প অর্পণ জামায়াতে যোগ দিয়ে মন্তব্য:/৮০% মুসলমানের এই দেশে কোনো বিধর্মী সংসদ প্রতিনিধি থাকতে পারে না জঙ্গল সলিমপুরে অভিযানকালে গুলিতে র‍্যাব কর্মকর্তা নিহত, জিম্মি ৩ দেশের ইতিহাসে এত কম সময়ে এর চেয়ে বেশি সংস্কার আর হয়নি: আসিফ নজরুল রোজায় সংকট ঠেকাতে থাইল্যান্ড থেকে আসবে ১ কোটি ৩৫ লাখ লিটার সয়াবিন ৩৯ কেন্দ্রের ১৭৮টি বুথে চলছে জকসু নির্বাচনের ভোটগ্রহণ গুম কমিশন/গোপন বন্দিশালার আলামত প্রত্যেক বাহিনীই ধ্বংস করেছে র‍্যাব বিলুপ্তির সুপারিশ করেছে গুম তদন্ত কমিশন

মাউশির প্রশিক্ষণ বিতর্ক: প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৩:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ৭৫৫ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক,

গত ৯ সেপ্টেম্বর তারিখে “শিক্ষা বার্তা” নামক একটি অনলাইন পত্রিকার “মাউশির প্রশিক্ষণ বিতর্ক: নেতৃত্বে থেকেও ধরাছোঁয়ার বাহিরে ডিডি প্রিম রিজভী” শীর্ষক সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ শাখার উপপরিচালক প্রফেসর প্রিম রিজভী।

বৃহস্পতিবার (১১সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এই প্রতিবাদ জানান তিনি।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, “দক্ষিণ কোরিয়া সরকার আয়োজিত ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি (আইসিটি) বিষয়ের প্রশিক্ষণ বিষয়ের ডেক্স অফিসার হচ্ছেন প্রশিক্ষণ বিভাগের সহকারী পরিচালক জাহিদা বেগম। প্রশিক্ষণে কারা অংশগ্রহণ করবেন তার তালিকা তৈরি করার দায়িত্ব তার। ২০০৫ সাল থেকে চালু হওয়া এই প্রোগ্রামে বিগত বছরে বিভিন্ন মানদন্ডে নির্বাচিত হয়। মধ্যবর্তী কর্মকর্তা হিসেবে এখানে আমার সুপারিশ করার বা মতামত দেওয়ার কোনো সুযোগই ছিলনা। আমার দায়িত্ব ডেক্স কর্মকর্তা (এক্ষেত্রে জাহিদা বেগম) কর্তৃক প্রেরিত ফাইল আমার উপরস্থ কর্মকর্তা (পরিচালক প্রফেসর সাঈদুর রহমান) কে প্রেরণ করা। যদিও এই সংক্রান্ত একটি টিভি রিপোর্টে পরিচালক প্রফেসর সাঈদুর রহমানের স্থী ঢাকা কলেজের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক রাবেকা সুলতানা লিপি এক ঘন্টা বিশ মিনিটের একটি অনলাইন পরীক্ষার মাধ্যমে নির্বাচিত হয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন, যা অত্যান্ত বিভ্রান্তিকর ও অসত্য, কারণ এমন কোনো মানদন্ড নেই। তাই এরূপ কোনো পরীক্ষা নেওয়া হয়নি। এই মনোনয়ন পক্রিয়ায় এরকম কোনো পদ্ধতিই অনুসরণ করা হয়না। একজন কর্মকর্তা কেন এমন ভিত্তিহীন কথা বললেন সেটা আমার বোধগম্য নয়।”

তিনি আরো জানান, “২০ জনের এই ইনভাইটেশনাল ট্রেনিং প্রোগ্রামাটির প্রার্থী নির্বাচনের চিঠি প্রশিক্ষণ শাখায় প্রস্তাব আসে ০৮ এপ্রিল ২০২৫। অথচ দক্ষিণ কোরিয়ার সাথে আরো দশটি উন্নয়নকামী দেশের ট্রেনিং প্রোগ্রাম নিয়ে ভবিষ্যতে কাজ করার একটি কনসোর্টিয়াম তৈরির জন্য দুইদিনের (২৬-২৭ আগষ্ট) চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আইনত স্বাক্ষর করতে সক্ষম একজন জেষ্ঠ্য কর্মকর্তা ও ইংরেজিতে অত্যন্ত দক্ষ ও প্রশিক্ষণ বিষয়ে জ্ঞান রাখেন এমন একজন কর্মকর্তাকে মনোনয়ন দেয়ার অনুরোধ আসে ১৬ মে ২০২৫ তারিখে (প্রমাণ সংরক্ষিত)। সেখানে ইংরেজি বিষয়ের অধ্যাপক হওয়ায় এবং ইংরেজি দক্ষ ও প্রশিক্ষণ শাখার কর্মকর্তা হওয়ায় ও প্রশিক্ষণের ব্যাপারে গভীর জ্ঞান রাখার কারণে তাকে সরকার কর্তৃক মনোনয়ন দেয়া হয়। প্রশিক্ষণ বিষয়ে দেশের অতীত ও বর্তমান কর্মসূচীকে তুলে ধরার জন্য। এদিকে এ ধরনের চুক্তি স্বাক্ষর মহাপরিচালক বা সচিব মহোদয়ের এখতিয়ারভুক্ত হলেও কোনো অজানা কারণে পরিচালক প্রশিক্ষণ প্রফেসর সাঈদুর রহমান এ চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে যাওয়ার অনুমতি পান। কাজেই দেখা যায়, ১০ দিন ব্যাপী ২০ জনের এই প্রশিক্ষণের প্রার্থী নির্বাচনের পত্র অনেক আগে আসার পরও তিনি সেই বহরে শামিল হওয়ার চেষ্টাটুকুও করেননি। সরকার শুধুমাত্র দুইদিনের একটি চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠনে দেশের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি ইংরেজিতে তুলে ধরার প্রেজেন্টেশন প্রদানের জন্য তাকে মনোনীত করে। কাজেই উক্ত সংবাদপত্র ও সাংবাদিক কর্তৃক পরিবেশিত সংবাদটি যে সম্পূর্ণ বানোয়াট ও অকথ্য মিথ্যাচার ছাড়া আর কিছু নয়, এটি সর্বতোভাবে প্রমাণিত।

যেহেতু প্রশিক্ষণ শাখা মূলত ক্যাডার এবং নন-ক্যাডার কলেজ শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের আয়োজন করে কাজেই মাধ্যমিক র্পযায়ের শিক্ষকদের নিয়ে মূলত মাধ্যমিক শাখা কাজ করে। এদের সাথে তার সম্পৃক্ততা থাকা হাস্যকর। তিনি যদি কোনো পছন্দের প্রশিক্ষণার্থীকে মনোনয়ন দিতে পারেন তাহলে নিজের নামটি দিতে পারলেন না কেন?  এছাড়া, পরিচালকের স্থী ও বিভিন্ন সংবাদপত্র মোতাবেক অন্য একজন পরিচালক ও সহকারী পরিচালক জাহিদা বেগমের নিজ, তাদের বন্ধু এবং সহকর্মীদের ও অন্যান্যদের নাম এলো কেন? তারা তো উপপরিচালকের আপন কেউ নন? বাংলাদেশে কি লোকজনের অভাব যে উপপরিচালকের এত ক্ষমতা (!) থাকলে কেবল নয়জন কেন বাকি সব নামই দিতে পারলেন না? পরিচালক প্রফেসর সাঈদুর রহমান যদি এতই আতঙ্কের সাথে চাকরি করেন তাহলে তো নিজ স্ত্রীর নাম বাছাইয়ে তো রাখতেনই না। তিনি উপপরিচালকের কথায় চালিত হলে নিজ দপ্তর কিভাবে পরিচালনা করছেন গত এক বছর যাবৎ ও কিভাবে বিগত আওয়ামী সরকারের আমলে আরো তিনটি বিশাল কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন? এছাড়াও উপপরিচালক তার সমমর্যাদার ইংরেজি বিষয়ের দক্ষ কর্মকর্তা হওয়া সত্বেও কেন এখনও পরিচালক বা সম-মযার্দার পদে পদায়ন নিতে পারলেন না গত এক বছরেও?
প্রশিক্ষণ শাখার গবেষণা কর্মকর্তা জনাব মোশারফ হোসেনকে কোরিয়ার প্রশিক্ষণে মনোনয়ন প্রদান করেন ডেক্স অফিসার হিসেবে জাহিদা বেগম ও পরিচালক প্রশিক্ষণ সাঈদুর রহমান সরকারি অফিস আদেশ জারি হবার পর প্রশিক্ষণে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিন আগে (২৪ আগষ্ট) তাকে বরিশালে আলেকান্দা সরকারি কলেজে বদলী করা হয়। এতে উপপরিচালক প্রফেসর প্রিম রিজভীর দায় কোথায় সেটা বোধগম্য নয়। শিক্ষা বার্তায় প্রকাশিত ভূয়া সংবাদ মোতাবেক উপপরিচালক প্রশিক্ষণ প্রফেসর প্রিম রিজভীর যদি শিক্ষা মন্ত্রাণালয়ের পদায়ন নিয়ন্তণের ক্ষমাতা থাকতো তবে তিনি নিজের যোগ্য পদে পদায়ন এবং গবেষণা কর্মকর্তা-১ মোশারফ হোসেন যদি তার প্রিয়ভাজন হয়ে থাকে তবে মাউশি থেকে বরিশালে পদায়ন ঠেকাতে পারলেন না কেনো?
প্রকাশিক সংবাদ অনুযায়ী মাউশির প্রশিক্ষণ শাখার শুধুমাত্র সহকারী পরিচালক-২ জাহিদা বেগম ছাড়া সকলেই যদি পরিচালকের বিরোধী হয়ে থাকেন তাহলে তিনি গত ০১ (এক) বছর ধরে শাখার কর্মকান্ড পরিচালনা করছেন কিভাবে?  তিনি কী দাপ্তরিক কাজে শাখার নেতৃত্ব দেওয়ার পরিবর্তে সকলের অধীনস্থ হিসেবে কাজ করে আসছেন? এ থেকেই সংবাদটি যে বানোয়াট তা প্রমানিত হয়।
রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা প্রশ্নে তিনি বলেন, “গত শতাব্দীর সত্তরের দশকে বাংলাদেশের স্বাধীনতাকামী দল আওয়ামী লীগ থেকে ১৯৭০ সালের পাকিস্তানের নির্বাচনে আমার বাবা এম এন এ নির্বাচিত হন। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি যোগ দেন। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ এবং শেখ মুজিবুর রহমানের বিভিন্ন নীতি ও বাকশাল কর্মকান্ডে বীতশদ্ধ হয়ে তিনি রাজনীতি থেকে নিশ্চুপ হয়ে যান। এজন্য আওয়ামী লীগ তাকে বা তার মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণের অবদানকে মূল্যায়ণ করেনি। তিনি ২০০৮ সালের




। তিনি ২০০৮ সালের ফ্রেব্রুয়ারী মাসে মৃত্যুবরণ করেন। আর তা হাসিনা ও আওয়ামী লীগ ভয়ংকর ফ্যাসিস্ট হিসাবে ২০০৯ এ ক্ষমতায় আসার এক বছর আগেই ঘটে। তার ঢাকার বসতবাড়ী আওয়ামী আমলের (২০১০ সালে) ঢাকা-৭ আসনের ফ্যাসিস্ট এমপি সানজিদা খাতুন ও আওয়ামী লীগের গুন্ডা বাহিনী ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে সেখানে স্কুল ব্যবসা করতে থাকে যা এখনো চালু রয়েছে। ২০০৯ সালের বিডিআর হত্যাকান্ডের প্রতিবাদ করায় তার স্বামী লে: কর্ণেল (অবঃ) মো: তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরীকে চাকুরীচ্যুত করা হয়। পরবর্তীতে তিন বারের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা প্রধান হিসেবে কাজ করতে থাকেন (বর্তমান বাহিনীর অবধি কর্মরত)। এতে ক্ষিপ্ত হয়েবিগত ফ্যাসিষ্ট সরকার তাকে গুম করে এবং নির্মম অত্যাচার করে। পরবর্তীতে তাকে একটি মিথ্যা মামলায় জেলে পাঠানো হয়। এরপর শিক্ষা ক্যাডারের কতিপয় চিহ্নিত আওয়ামী দোসর কর্মকর্তা তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী দীপুমনি ও নওফেলের কাছে তার স্বামীর আওয়ামী ও ভারত বিরোধী অবস্থান তুলে ধরেন। এর প্রেক্ষিতে দীপুমনি ও নওফেল তাকে মন্ত্রণালয়ে ডেকে নিয়ে চাকরী খেয়ে ফেলার হুমকি দেয় এবং বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করে রাখে। তিনি নিরাপত্তার স্বার্থে বাধ্য হন সন্তানদেরকে বিদেশে পাঠিয়ে দিতে। এত আঘাতে তিনি মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়েন।

যদি তিনি আওয়ামী পন্থিই হন তাহলে তার উপর এবং তার পরিবারের উপর এতো নিযার্তন কেন করা হলো? পরবর্তীতে তিনি বিভিন্ন শুভাকাঙ্খির পরামর্শে তার পিতার মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় তুলে ধরে আওয়ামী ফ্যাসিস্ট নিযার্তন থেকে আত্মরক্ষা করার চেষ্টা করেন। নিজ পদায়নের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের মাধ্যমে সচিব বরাবর আবেদন করেন। উল্লেখ্য যে, আওয়ামী ফ্যাসিস্টদের নিযার্তন থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য গত ১৫ বছর অনেক ঘোরতর আওয়ামী বিরোধী ব্যক্তিই ছাত্রলীগ বা আওয়ামী অন্যান্য অঙ্গ সংগঠনের ভেতরে মিলে গিয়ে তাদের আওয়ামী ঘৃণার মানসিকতা গোপন করে লুকিয়ে থাকেন। এরাই জুলাই যুদ্ধে প্রধান যোদ্ধা ও সমন্বয়কের ভূমিকা নেন। ঠিক একই ভাবে প্রফেসর প্রিম রিজভী আওয়ামী ফ্যাসিস্টের নিযার্তন থেকে আত্নরক্ষার জন্য পিতার পরিচয় ব্যবহার করেন। কিন্তু জুলাই যুদ্ধে প্রাণ হাতে নিয়ে তিনি ও তার পরিবার সক্রিয় ভূমিকা পালন করে ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগের বিরুদ্ধে তাদের ঘৃণা প্রকাশ করেন

(প্রমাণ সংরক্ষিত)। তখন কিন্তু কেউ জানতেন না যে, ফ্যাসিস্টের পতন হবে ও ৩৬শে জুলাই আসবে। তার ২০২২ সালের পদায়নের আবেদন তিনি আওয়ামী লীগ সমর্থন করেন এটি একবারও কিন্তু বলেননি। তাছাড়া পরিবারের কেউ কোনো দল বা মতের অনুসারী হলে অন্যদেরও তা হতে হবে বলে কোনো আইন আছে কি? একজন ক্যাডার কর্মকর্তা হিসাবে প্রফেসর প্রিম রিজভী অবশ্যই ব্যক্তিগত মতামত সমুন্নত রাখতে জানেন।

তিনি মন্তব্য করেন, “যাদের পরামর্শে এই সংবাদ করা হয়েছে তাদের এবং সংবাদকারীর দাপ্তরিক আইন সম্পর্কে ধারণা না থাকায় মহাপরিচালকের মাধ্যমে আবেদন করা হয়েছে বলে হাস্যকর সংবাদ তৈরি করে। কারণ একজন কর্মকর্তাকে সচিব বরাবর আবেদন করতে হলে দাপ্তরিক আইনেই মহাপরিচালকের মাধ্যমে করতে হয়। সেখানে মহাপরিচালকের পদে কে বসে আছেন তা বিবেচনার সুযোগ নেই।

জুলাই অভ্যুথানের সময় তিনি সরাসরি শিক্ষার্থীদের একাত্ব হয়ে সাথে রাস্তায় নেমে অংশগ্রহণ করেন (যার বিভিন্ন প্রমাণ সংরক্ষিত আছে)। এর আগে, দৈনিক শিক্ষাবার্তা ০৯/০৮/২০২১ এবং ০৬/১০/২০১৬ তারিখে প্রফেসর প্রিম রিজভীকে বিএনপি-জামাত ট্যাগ দিয়ে ভুয়া সংবাদ প্রকাশ করে (যার প্রমাণ সংরক্ষিত আছে)। এখন আবার তাকে এনসিপি বলা হচ্ছে। তিনি জীবনে কোনদিন কোনো রাজনৈতিক দলের সাথে যুক্ত হননি। প্রকাশিত ভূয়া সংবাদের বিষয়ে প্রমাণ দিতে না পারলে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট সকলের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা হবে।

৫ই আগষ্ট পরবর্তী সময়ে ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪ দীর্ঘদিন (ওএসডি) থাকার পরে তিনি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ শাখার উপপরিচালক হিসেবে পদায়ন লাভ করেন। পরবর্তীতে তিনি প্রফেসর পদে পদোন্নতি পেলেও তিনি গত দীর্ঘ ০১ (এক) বছর ধরে নিম্নপদে চাকরী করছেন। পত্রিকাটি তাকে বিভিন্ন সময়ে সচিবালয়ে তদবিরের কথা লিখলেও তার কোনো সত্যতা নেই। যিনি নিজের যোগ্য পদে গত এক বছরে যেতে পারেননি এবং নিম্ন পদেই রয়ে গেছেন তিনি কিভাবে অন্য কাউকে পদায়নের তদবির করবেন? গত ০১ (এক) বছরে তিনি কখনও ব্যক্তিগত প্রয়োজনে মন্ত্রণালয়ে গিয়েছেন কিনা সেই ঢালাও বক্তব্যের প্রমাণ দিতে হবে কিন্তু। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বর্তমানে কর্মরত কলেজ শাখার উপসচিব থেকে উপদেষ্টা মহোদয় পর্যন্ত কেউ কোন দিন তাকে মন্ত্রণালয়ে আজকের তারিখ পর্যন্ত দেখেছেন কিনা সেই বিষয়েও প্রমাণ দিতে হবে। বিষয়টি অত্যন্ত হাস্যকর ও নোংরা উদ্দেশ্যমূলক। বরং ফ্যাসিস্টের দালাল যারা সর্বক্ষণ বিভিন্ন উদ্দেশ্যে মন্ত্রণালয়ে ঘোরাঘুরি করেন তারাই এই ভুয়া সংবাদের সোর্স হিসাবে কাজ করেছেন বলে প্রতীয়মান।

প্রফেসর প্রিম রিজভী জানান, “প্রশিক্ষণ শাখায় আমি যোগদানের বহু আগে থেকেই জনাব আকবর আলী, আবুল হোসেন কায়েস ও জনাব নীহার পারভীন সেখানে কর্মরত ছিলেন। মাত্র কয়েক মাসে আমি কিভাবে এদের নিয়ে প্রভাব বলয় তৈরি করবো? আমি তো এখানে ০১ (এক) বছর নতুন যোগদান করছি। এই সংবাদ পরিবেশনের উদ্দেশ্য কি? ০৪ (চার) আগষ্ট ২০২৪ শিক্ষা ভবনের গেটে যারা মিছিল করেছে তারা প্রায় সবাই এখনও বড় জায়গায় কর্মরত আছে গত একবছর ধরে। তাদের বিরুদ্ধে তৈরি অভিযোগ পত্র কোথায় হারালো? উল্লেখ্য মাউশি অভিযোগ নিষ্পত্তিকারী কমিটির (অনিক) তিনি নিজেই একজন সদস্য।  তিনি আওয়ামী পন্থি ফ্যাসিস্টদের দুর্নীতি রোধে অভিযোগ নিষ্পত্তি কমিটির দায়িত্ব পালন করায় তাদের রোষের শিকার হয়েছেন মাত্র। ভূয়া সংবাদ তৈরি করতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিরে নিহার পারভীন (সহকারি পরিচালক-৪) গেটের কাছে ০৪ (চার) আগষ্ট ২০২৪ এর মিছিলে ছিলেন এই ভূয়া খবরটি লিখে ফেললেন উক্ত সাংবাদিক! একজন সম্মানিত ক্যাডার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এই জঘন্য মিথ্যাচারের প্রমাণও দিতে হবে অবশ্যই।

দেখা যায়, এই নির্মম সংঘবদ্ধ গ্রুপটি প্রফেসর প্রিম রিজভী কিডনি বৈকল্য জনিত অসুস্থতা নিয়েও মশকরা করেছে এই জঘন্য মিথ্যাবাদী পত্রিকাটির মাধ্যমে। নির্মমতা কতদূর হলে মানুষ এ কাজ করতে পারে! কিডনি রোগাক্রান্ত ব্যক্তি কি চলাফেরা ও দাপ্তরিক দায়িত্ব পালন করবে না?

শিক্ষাবার্তার রিপোর্টে প্রশিক্ষণ শাখায় কর্মরত সকল কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আঙ্গুল তুললেও আইসিটি প্রশিক্ষণ বিষয়ে দৈনিক ক্যাম্পাস দৈনিক কালবেলা এবং দেশ টিভির একাধিক রিপোর্টে মূল অভিযুক্তরা এই সাংবাদিকের দৃষ্টি এড়িয়ে গেলেন কিভাবে এই প্রশ্নের জবাব খুঁজতে গেলেই এই ভূয়া সংবাদের প্রকৃত রহস্য কিন্তু সকলের কাছে পরিষ্কার হয়ে যাবে।

আরেকটি জঘন্য মিথ্যাচার হলো, উক্ত সাংবাদিক বা এ ধরনের কেউ গত মঙ্গলবার ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ আমার সাথে মোবাইলে যোগাযোগের কোনো চেষ্টা করেছে। ওইদিনের কল রেকর্ড আমি সংরক্ষণ করেছি। সেখানে এ ধরনের কোনো কল আসেনি। তাছাড়া, ওইদিন সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত আমি দপ্তরেই ছিলাম। এ ধরনের কেউ আমার সাথে দেখা করতেও আসেনি। আমার সাথে কোনো যোগাযোগের চেষ্টা বা বক্তব্য ছাড়াই তারা এ ধরনের মিথ্যা সংবাদ প্রচার করেছে।

সংযুক্ত কর্মকর্তার ব্যাপারে তিনি জানান, কোনো দপ্তরে কাজের অতিরিক্ত চাপ সামলানোর জন্য নির্দিষ্ট সময়ের জন্য মহাপরিচালক মহোদয় কোনো ক্যাডার কর্মকর্তাকে উক্ত অফিসে সংযুক্ত করেন। নিজ ইচ্ছামাফিক কেউ কোনো কর্মকর্তাকে সংযুক্ত পদায়ন করতে পারেন সংযুক্ত কর্মকর্তদের কাজ হচ্ছে ডেক্সের প্রয়োজন অনুযায়ী উর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাজকে গতিশীল করা, কারো ব্যক্তিগত ফরমায়েশ পূরণ করা নয়। মাউশিতে সকল শাখায় সহকারি পরিচালক থেকে মহাপরিচালক পর্যন্ত প্রায় সকল কর্মকর্তার অধীনে বরাবরই প্রয়োজন অনুযায়ী সংযুক্ত কর্মকর্তাদের পদায়ন করা হয়ে থাকে এবং এখনো তা রয়েছে, এটি কোনো নতুন ঘটনা নয়। এটি লিখে নিবন্ধনহীন বিতর্কিত পত্রিকাটি পুরো শিক্ষা ক্যাডারকেই হেয় প্রতিপন্ন করেছেন। একটি সরকারি দপ্তরে কর্মপরিবেশ সম্পর্কে মূর্খের মতো সংবাদ তৈরি করা একটি অমার্জনীয় অপরাধ। কর্মকর্তাদের শ্রেনী অনুযায়ী কর্মবিভাজন সম্পর্কে বিস্তারিত জানার জন্য তিনি সাংবাদিককে উপদেশ দেন। এসব নোংরা কথা লিখে এই সাংবাদিক ও সংবাদপত্র পুরো ক্যাডার সার্ভিসকে অপমানিত করেছে।

দেখা যায়, উক্ত সাংবাদিক ও সংবাদ পত্র ভুয়া সংবাদ পরিবেশনের দায়ে ইতোমধ্যেই মাউশির পরিচালক মনিটরিং ও ইভ্যালুয়েশন দ্বারা করা মানহানির মামলার আসামী। ২০১৬ সাল থেকে বিএনপি জামাত নেত্রী ট্যাগ দিয়ে আসা (প্রমান সংরক্ষিত) পত্রিকাটি এখন আমাকে এনসিপির জননী বানাচ্ছে। এদের ব্যবহার করে কারা এসব করাচ্ছে জানা ক্যাডার সার্ভিসের সম্মান রক্ষার্থে জরুরী। যেখানে আওয়ামী ফ্যাস্টিদের বিরুদ্ধে আমি একজন জুলাই যুদ্ধের একজন সক্রিয় কর্মী এবং জুলাই শহীদ ও আহত যোদ্ধাদের নিজ বেতনের টাকায় গত এক বছর সেবা দিয়ে চলেছি (প্রমাণ সংরক্ষিত) সেই আমি নাকি ফ্যাসিস্টদের আড়াল দিচ্ছি। এতটাই নাকি আমার ক্ষমতা! এই জঘন্য মিথ্যাচারের কিন্তু অবশ্যই প্রমাণ দিতে হবে। প্রফেসর প্রিম রিজভী বলেন, “প্রমাণ ছাড়াই কোনো রকম রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার মিথ্যা সংবাদ, মন্ত্রণালয়ে কারও পদায়নের জন্য তদবির করার বানোয়াট মন্তব্য, দক্ষিণ কোরিয়ায় (০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত) ইনভাইটেশনাল প্রশিক্ষণ প্রোগ্রামে কোনো প্রশিক্ষণার্থী মনোনয়ন দেয়ার মত ভুয়া সংবাদ এমনকি নিকট অতীতে মন্ত্রণালয়ে না যাওয়া সত্বেও সেখানে আমার উপস্থিতির সংবাদ পরিবেশনে আমার মানহানি হয়েছে।”

এ সকল তথ্যের সত্যতা প্রমাণ করতে ব্যর্থ হলে তিনি পত্রিকাটির বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করতে বাধ্য হবেন বলেও জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

মাউশির প্রশিক্ষণ বিতর্ক: প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

আপডেট সময় : ০৬:৩৩:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক,

গত ৯ সেপ্টেম্বর তারিখে “শিক্ষা বার্তা” নামক একটি অনলাইন পত্রিকার “মাউশির প্রশিক্ষণ বিতর্ক: নেতৃত্বে থেকেও ধরাছোঁয়ার বাহিরে ডিডি প্রিম রিজভী” শীর্ষক সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ শাখার উপপরিচালক প্রফেসর প্রিম রিজভী।

বৃহস্পতিবার (১১সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এই প্রতিবাদ জানান তিনি।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, “দক্ষিণ কোরিয়া সরকার আয়োজিত ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি (আইসিটি) বিষয়ের প্রশিক্ষণ বিষয়ের ডেক্স অফিসার হচ্ছেন প্রশিক্ষণ বিভাগের সহকারী পরিচালক জাহিদা বেগম। প্রশিক্ষণে কারা অংশগ্রহণ করবেন তার তালিকা তৈরি করার দায়িত্ব তার। ২০০৫ সাল থেকে চালু হওয়া এই প্রোগ্রামে বিগত বছরে বিভিন্ন মানদন্ডে নির্বাচিত হয়। মধ্যবর্তী কর্মকর্তা হিসেবে এখানে আমার সুপারিশ করার বা মতামত দেওয়ার কোনো সুযোগই ছিলনা। আমার দায়িত্ব ডেক্স কর্মকর্তা (এক্ষেত্রে জাহিদা বেগম) কর্তৃক প্রেরিত ফাইল আমার উপরস্থ কর্মকর্তা (পরিচালক প্রফেসর সাঈদুর রহমান) কে প্রেরণ করা। যদিও এই সংক্রান্ত একটি টিভি রিপোর্টে পরিচালক প্রফেসর সাঈদুর রহমানের স্থী ঢাকা কলেজের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক রাবেকা সুলতানা লিপি এক ঘন্টা বিশ মিনিটের একটি অনলাইন পরীক্ষার মাধ্যমে নির্বাচিত হয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন, যা অত্যান্ত বিভ্রান্তিকর ও অসত্য, কারণ এমন কোনো মানদন্ড নেই। তাই এরূপ কোনো পরীক্ষা নেওয়া হয়নি। এই মনোনয়ন পক্রিয়ায় এরকম কোনো পদ্ধতিই অনুসরণ করা হয়না। একজন কর্মকর্তা কেন এমন ভিত্তিহীন কথা বললেন সেটা আমার বোধগম্য নয়।”

তিনি আরো জানান, “২০ জনের এই ইনভাইটেশনাল ট্রেনিং প্রোগ্রামাটির প্রার্থী নির্বাচনের চিঠি প্রশিক্ষণ শাখায় প্রস্তাব আসে ০৮ এপ্রিল ২০২৫। অথচ দক্ষিণ কোরিয়ার সাথে আরো দশটি উন্নয়নকামী দেশের ট্রেনিং প্রোগ্রাম নিয়ে ভবিষ্যতে কাজ করার একটি কনসোর্টিয়াম তৈরির জন্য দুইদিনের (২৬-২৭ আগষ্ট) চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আইনত স্বাক্ষর করতে সক্ষম একজন জেষ্ঠ্য কর্মকর্তা ও ইংরেজিতে অত্যন্ত দক্ষ ও প্রশিক্ষণ বিষয়ে জ্ঞান রাখেন এমন একজন কর্মকর্তাকে মনোনয়ন দেয়ার অনুরোধ আসে ১৬ মে ২০২৫ তারিখে (প্রমাণ সংরক্ষিত)। সেখানে ইংরেজি বিষয়ের অধ্যাপক হওয়ায় এবং ইংরেজি দক্ষ ও প্রশিক্ষণ শাখার কর্মকর্তা হওয়ায় ও প্রশিক্ষণের ব্যাপারে গভীর জ্ঞান রাখার কারণে তাকে সরকার কর্তৃক মনোনয়ন দেয়া হয়। প্রশিক্ষণ বিষয়ে দেশের অতীত ও বর্তমান কর্মসূচীকে তুলে ধরার জন্য। এদিকে এ ধরনের চুক্তি স্বাক্ষর মহাপরিচালক বা সচিব মহোদয়ের এখতিয়ারভুক্ত হলেও কোনো অজানা কারণে পরিচালক প্রশিক্ষণ প্রফেসর সাঈদুর রহমান এ চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে যাওয়ার অনুমতি পান। কাজেই দেখা যায়, ১০ দিন ব্যাপী ২০ জনের এই প্রশিক্ষণের প্রার্থী নির্বাচনের পত্র অনেক আগে আসার পরও তিনি সেই বহরে শামিল হওয়ার চেষ্টাটুকুও করেননি। সরকার শুধুমাত্র দুইদিনের একটি চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠনে দেশের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি ইংরেজিতে তুলে ধরার প্রেজেন্টেশন প্রদানের জন্য তাকে মনোনীত করে। কাজেই উক্ত সংবাদপত্র ও সাংবাদিক কর্তৃক পরিবেশিত সংবাদটি যে সম্পূর্ণ বানোয়াট ও অকথ্য মিথ্যাচার ছাড়া আর কিছু নয়, এটি সর্বতোভাবে প্রমাণিত।

যেহেতু প্রশিক্ষণ শাখা মূলত ক্যাডার এবং নন-ক্যাডার কলেজ শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের আয়োজন করে কাজেই মাধ্যমিক র্পযায়ের শিক্ষকদের নিয়ে মূলত মাধ্যমিক শাখা কাজ করে। এদের সাথে তার সম্পৃক্ততা থাকা হাস্যকর। তিনি যদি কোনো পছন্দের প্রশিক্ষণার্থীকে মনোনয়ন দিতে পারেন তাহলে নিজের নামটি দিতে পারলেন না কেন?  এছাড়া, পরিচালকের স্থী ও বিভিন্ন সংবাদপত্র মোতাবেক অন্য একজন পরিচালক ও সহকারী পরিচালক জাহিদা বেগমের নিজ, তাদের বন্ধু এবং সহকর্মীদের ও অন্যান্যদের নাম এলো কেন? তারা তো উপপরিচালকের আপন কেউ নন? বাংলাদেশে কি লোকজনের অভাব যে উপপরিচালকের এত ক্ষমতা (!) থাকলে কেবল নয়জন কেন বাকি সব নামই দিতে পারলেন না? পরিচালক প্রফেসর সাঈদুর রহমান যদি এতই আতঙ্কের সাথে চাকরি করেন তাহলে তো নিজ স্ত্রীর নাম বাছাইয়ে তো রাখতেনই না। তিনি উপপরিচালকের কথায় চালিত হলে নিজ দপ্তর কিভাবে পরিচালনা করছেন গত এক বছর যাবৎ ও কিভাবে বিগত আওয়ামী সরকারের আমলে আরো তিনটি বিশাল কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন? এছাড়াও উপপরিচালক তার সমমর্যাদার ইংরেজি বিষয়ের দক্ষ কর্মকর্তা হওয়া সত্বেও কেন এখনও পরিচালক বা সম-মযার্দার পদে পদায়ন নিতে পারলেন না গত এক বছরেও?
প্রশিক্ষণ শাখার গবেষণা কর্মকর্তা জনাব মোশারফ হোসেনকে কোরিয়ার প্রশিক্ষণে মনোনয়ন প্রদান করেন ডেক্স অফিসার হিসেবে জাহিদা বেগম ও পরিচালক প্রশিক্ষণ সাঈদুর রহমান সরকারি অফিস আদেশ জারি হবার পর প্রশিক্ষণে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিন আগে (২৪ আগষ্ট) তাকে বরিশালে আলেকান্দা সরকারি কলেজে বদলী করা হয়। এতে উপপরিচালক প্রফেসর প্রিম রিজভীর দায় কোথায় সেটা বোধগম্য নয়। শিক্ষা বার্তায় প্রকাশিত ভূয়া সংবাদ মোতাবেক উপপরিচালক প্রশিক্ষণ প্রফেসর প্রিম রিজভীর যদি শিক্ষা মন্ত্রাণালয়ের পদায়ন নিয়ন্তণের ক্ষমাতা থাকতো তবে তিনি নিজের যোগ্য পদে পদায়ন এবং গবেষণা কর্মকর্তা-১ মোশারফ হোসেন যদি তার প্রিয়ভাজন হয়ে থাকে তবে মাউশি থেকে বরিশালে পদায়ন ঠেকাতে পারলেন না কেনো?
প্রকাশিক সংবাদ অনুযায়ী মাউশির প্রশিক্ষণ শাখার শুধুমাত্র সহকারী পরিচালক-২ জাহিদা বেগম ছাড়া সকলেই যদি পরিচালকের বিরোধী হয়ে থাকেন তাহলে তিনি গত ০১ (এক) বছর ধরে শাখার কর্মকান্ড পরিচালনা করছেন কিভাবে?  তিনি কী দাপ্তরিক কাজে শাখার নেতৃত্ব দেওয়ার পরিবর্তে সকলের অধীনস্থ হিসেবে কাজ করে আসছেন? এ থেকেই সংবাদটি যে বানোয়াট তা প্রমানিত হয়।
রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা প্রশ্নে তিনি বলেন, “গত শতাব্দীর সত্তরের দশকে বাংলাদেশের স্বাধীনতাকামী দল আওয়ামী লীগ থেকে ১৯৭০ সালের পাকিস্তানের নির্বাচনে আমার বাবা এম এন এ নির্বাচিত হন। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি যোগ দেন। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ এবং শেখ মুজিবুর রহমানের বিভিন্ন নীতি ও বাকশাল কর্মকান্ডে বীতশদ্ধ হয়ে তিনি রাজনীতি থেকে নিশ্চুপ হয়ে যান। এজন্য আওয়ামী লীগ তাকে বা তার মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণের অবদানকে মূল্যায়ণ করেনি। তিনি ২০০৮ সালের




। তিনি ২০০৮ সালের ফ্রেব্রুয়ারী মাসে মৃত্যুবরণ করেন। আর তা হাসিনা ও আওয়ামী লীগ ভয়ংকর ফ্যাসিস্ট হিসাবে ২০০৯ এ ক্ষমতায় আসার এক বছর আগেই ঘটে। তার ঢাকার বসতবাড়ী আওয়ামী আমলের (২০১০ সালে) ঢাকা-৭ আসনের ফ্যাসিস্ট এমপি সানজিদা খাতুন ও আওয়ামী লীগের গুন্ডা বাহিনী ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে সেখানে স্কুল ব্যবসা করতে থাকে যা এখনো চালু রয়েছে। ২০০৯ সালের বিডিআর হত্যাকান্ডের প্রতিবাদ করায় তার স্বামী লে: কর্ণেল (অবঃ) মো: তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরীকে চাকুরীচ্যুত করা হয়। পরবর্তীতে তিন বারের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা প্রধান হিসেবে কাজ করতে থাকেন (বর্তমান বাহিনীর অবধি কর্মরত)। এতে ক্ষিপ্ত হয়েবিগত ফ্যাসিষ্ট সরকার তাকে গুম করে এবং নির্মম অত্যাচার করে। পরবর্তীতে তাকে একটি মিথ্যা মামলায় জেলে পাঠানো হয়। এরপর শিক্ষা ক্যাডারের কতিপয় চিহ্নিত আওয়ামী দোসর কর্মকর্তা তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী দীপুমনি ও নওফেলের কাছে তার স্বামীর আওয়ামী ও ভারত বিরোধী অবস্থান তুলে ধরেন। এর প্রেক্ষিতে দীপুমনি ও নওফেল তাকে মন্ত্রণালয়ে ডেকে নিয়ে চাকরী খেয়ে ফেলার হুমকি দেয় এবং বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করে রাখে। তিনি নিরাপত্তার স্বার্থে বাধ্য হন সন্তানদেরকে বিদেশে পাঠিয়ে দিতে। এত আঘাতে তিনি মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়েন।

যদি তিনি আওয়ামী পন্থিই হন তাহলে তার উপর এবং তার পরিবারের উপর এতো নিযার্তন কেন করা হলো? পরবর্তীতে তিনি বিভিন্ন শুভাকাঙ্খির পরামর্শে তার পিতার মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় তুলে ধরে আওয়ামী ফ্যাসিস্ট নিযার্তন থেকে আত্মরক্ষা করার চেষ্টা করেন। নিজ পদায়নের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের মাধ্যমে সচিব বরাবর আবেদন করেন। উল্লেখ্য যে, আওয়ামী ফ্যাসিস্টদের নিযার্তন থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য গত ১৫ বছর অনেক ঘোরতর আওয়ামী বিরোধী ব্যক্তিই ছাত্রলীগ বা আওয়ামী অন্যান্য অঙ্গ সংগঠনের ভেতরে মিলে গিয়ে তাদের আওয়ামী ঘৃণার মানসিকতা গোপন করে লুকিয়ে থাকেন। এরাই জুলাই যুদ্ধে প্রধান যোদ্ধা ও সমন্বয়কের ভূমিকা নেন। ঠিক একই ভাবে প্রফেসর প্রিম রিজভী আওয়ামী ফ্যাসিস্টের নিযার্তন থেকে আত্নরক্ষার জন্য পিতার পরিচয় ব্যবহার করেন। কিন্তু জুলাই যুদ্ধে প্রাণ হাতে নিয়ে তিনি ও তার পরিবার সক্রিয় ভূমিকা পালন করে ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগের বিরুদ্ধে তাদের ঘৃণা প্রকাশ করেন

(প্রমাণ সংরক্ষিত)। তখন কিন্তু কেউ জানতেন না যে, ফ্যাসিস্টের পতন হবে ও ৩৬শে জুলাই আসবে। তার ২০২২ সালের পদায়নের আবেদন তিনি আওয়ামী লীগ সমর্থন করেন এটি একবারও কিন্তু বলেননি। তাছাড়া পরিবারের কেউ কোনো দল বা মতের অনুসারী হলে অন্যদেরও তা হতে হবে বলে কোনো আইন আছে কি? একজন ক্যাডার কর্মকর্তা হিসাবে প্রফেসর প্রিম রিজভী অবশ্যই ব্যক্তিগত মতামত সমুন্নত রাখতে জানেন।

তিনি মন্তব্য করেন, “যাদের পরামর্শে এই সংবাদ করা হয়েছে তাদের এবং সংবাদকারীর দাপ্তরিক আইন সম্পর্কে ধারণা না থাকায় মহাপরিচালকের মাধ্যমে আবেদন করা হয়েছে বলে হাস্যকর সংবাদ তৈরি করে। কারণ একজন কর্মকর্তাকে সচিব বরাবর আবেদন করতে হলে দাপ্তরিক আইনেই মহাপরিচালকের মাধ্যমে করতে হয়। সেখানে মহাপরিচালকের পদে কে বসে আছেন তা বিবেচনার সুযোগ নেই।

জুলাই অভ্যুথানের সময় তিনি সরাসরি শিক্ষার্থীদের একাত্ব হয়ে সাথে রাস্তায় নেমে অংশগ্রহণ করেন (যার বিভিন্ন প্রমাণ সংরক্ষিত আছে)। এর আগে, দৈনিক শিক্ষাবার্তা ০৯/০৮/২০২১ এবং ০৬/১০/২০১৬ তারিখে প্রফেসর প্রিম রিজভীকে বিএনপি-জামাত ট্যাগ দিয়ে ভুয়া সংবাদ প্রকাশ করে (যার প্রমাণ সংরক্ষিত আছে)। এখন আবার তাকে এনসিপি বলা হচ্ছে। তিনি জীবনে কোনদিন কোনো রাজনৈতিক দলের সাথে যুক্ত হননি। প্রকাশিত ভূয়া সংবাদের বিষয়ে প্রমাণ দিতে না পারলে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট সকলের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা হবে।

৫ই আগষ্ট পরবর্তী সময়ে ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪ দীর্ঘদিন (ওএসডি) থাকার পরে তিনি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ শাখার উপপরিচালক হিসেবে পদায়ন লাভ করেন। পরবর্তীতে তিনি প্রফেসর পদে পদোন্নতি পেলেও তিনি গত দীর্ঘ ০১ (এক) বছর ধরে নিম্নপদে চাকরী করছেন। পত্রিকাটি তাকে বিভিন্ন সময়ে সচিবালয়ে তদবিরের কথা লিখলেও তার কোনো সত্যতা নেই। যিনি নিজের যোগ্য পদে গত এক বছরে যেতে পারেননি এবং নিম্ন পদেই রয়ে গেছেন তিনি কিভাবে অন্য কাউকে পদায়নের তদবির করবেন? গত ০১ (এক) বছরে তিনি কখনও ব্যক্তিগত প্রয়োজনে মন্ত্রণালয়ে গিয়েছেন কিনা সেই ঢালাও বক্তব্যের প্রমাণ দিতে হবে কিন্তু। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বর্তমানে কর্মরত কলেজ শাখার উপসচিব থেকে উপদেষ্টা মহোদয় পর্যন্ত কেউ কোন দিন তাকে মন্ত্রণালয়ে আজকের তারিখ পর্যন্ত দেখেছেন কিনা সেই বিষয়েও প্রমাণ দিতে হবে। বিষয়টি অত্যন্ত হাস্যকর ও নোংরা উদ্দেশ্যমূলক। বরং ফ্যাসিস্টের দালাল যারা সর্বক্ষণ বিভিন্ন উদ্দেশ্যে মন্ত্রণালয়ে ঘোরাঘুরি করেন তারাই এই ভুয়া সংবাদের সোর্স হিসাবে কাজ করেছেন বলে প্রতীয়মান।

প্রফেসর প্রিম রিজভী জানান, “প্রশিক্ষণ শাখায় আমি যোগদানের বহু আগে থেকেই জনাব আকবর আলী, আবুল হোসেন কায়েস ও জনাব নীহার পারভীন সেখানে কর্মরত ছিলেন। মাত্র কয়েক মাসে আমি কিভাবে এদের নিয়ে প্রভাব বলয় তৈরি করবো? আমি তো এখানে ০১ (এক) বছর নতুন যোগদান করছি। এই সংবাদ পরিবেশনের উদ্দেশ্য কি? ০৪ (চার) আগষ্ট ২০২৪ শিক্ষা ভবনের গেটে যারা মিছিল করেছে তারা প্রায় সবাই এখনও বড় জায়গায় কর্মরত আছে গত একবছর ধরে। তাদের বিরুদ্ধে তৈরি অভিযোগ পত্র কোথায় হারালো? উল্লেখ্য মাউশি অভিযোগ নিষ্পত্তিকারী কমিটির (অনিক) তিনি নিজেই একজন সদস্য।  তিনি আওয়ামী পন্থি ফ্যাসিস্টদের দুর্নীতি রোধে অভিযোগ নিষ্পত্তি কমিটির দায়িত্ব পালন করায় তাদের রোষের শিকার হয়েছেন মাত্র। ভূয়া সংবাদ তৈরি করতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিরে নিহার পারভীন (সহকারি পরিচালক-৪) গেটের কাছে ০৪ (চার) আগষ্ট ২০২৪ এর মিছিলে ছিলেন এই ভূয়া খবরটি লিখে ফেললেন উক্ত সাংবাদিক! একজন সম্মানিত ক্যাডার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এই জঘন্য মিথ্যাচারের প্রমাণও দিতে হবে অবশ্যই।

দেখা যায়, এই নির্মম সংঘবদ্ধ গ্রুপটি প্রফেসর প্রিম রিজভী কিডনি বৈকল্য জনিত অসুস্থতা নিয়েও মশকরা করেছে এই জঘন্য মিথ্যাবাদী পত্রিকাটির মাধ্যমে। নির্মমতা কতদূর হলে মানুষ এ কাজ করতে পারে! কিডনি রোগাক্রান্ত ব্যক্তি কি চলাফেরা ও দাপ্তরিক দায়িত্ব পালন করবে না?

শিক্ষাবার্তার রিপোর্টে প্রশিক্ষণ শাখায় কর্মরত সকল কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আঙ্গুল তুললেও আইসিটি প্রশিক্ষণ বিষয়ে দৈনিক ক্যাম্পাস দৈনিক কালবেলা এবং দেশ টিভির একাধিক রিপোর্টে মূল অভিযুক্তরা এই সাংবাদিকের দৃষ্টি এড়িয়ে গেলেন কিভাবে এই প্রশ্নের জবাব খুঁজতে গেলেই এই ভূয়া সংবাদের প্রকৃত রহস্য কিন্তু সকলের কাছে পরিষ্কার হয়ে যাবে।

আরেকটি জঘন্য মিথ্যাচার হলো, উক্ত সাংবাদিক বা এ ধরনের কেউ গত মঙ্গলবার ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ আমার সাথে মোবাইলে যোগাযোগের কোনো চেষ্টা করেছে। ওইদিনের কল রেকর্ড আমি সংরক্ষণ করেছি। সেখানে এ ধরনের কোনো কল আসেনি। তাছাড়া, ওইদিন সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত আমি দপ্তরেই ছিলাম। এ ধরনের কেউ আমার সাথে দেখা করতেও আসেনি। আমার সাথে কোনো যোগাযোগের চেষ্টা বা বক্তব্য ছাড়াই তারা এ ধরনের মিথ্যা সংবাদ প্রচার করেছে।

সংযুক্ত কর্মকর্তার ব্যাপারে তিনি জানান, কোনো দপ্তরে কাজের অতিরিক্ত চাপ সামলানোর জন্য নির্দিষ্ট সময়ের জন্য মহাপরিচালক মহোদয় কোনো ক্যাডার কর্মকর্তাকে উক্ত অফিসে সংযুক্ত করেন। নিজ ইচ্ছামাফিক কেউ কোনো কর্মকর্তাকে সংযুক্ত পদায়ন করতে পারেন সংযুক্ত কর্মকর্তদের কাজ হচ্ছে ডেক্সের প্রয়োজন অনুযায়ী উর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাজকে গতিশীল করা, কারো ব্যক্তিগত ফরমায়েশ পূরণ করা নয়। মাউশিতে সকল শাখায় সহকারি পরিচালক থেকে মহাপরিচালক পর্যন্ত প্রায় সকল কর্মকর্তার অধীনে বরাবরই প্রয়োজন অনুযায়ী সংযুক্ত কর্মকর্তাদের পদায়ন করা হয়ে থাকে এবং এখনো তা রয়েছে, এটি কোনো নতুন ঘটনা নয়। এটি লিখে নিবন্ধনহীন বিতর্কিত পত্রিকাটি পুরো শিক্ষা ক্যাডারকেই হেয় প্রতিপন্ন করেছেন। একটি সরকারি দপ্তরে কর্মপরিবেশ সম্পর্কে মূর্খের মতো সংবাদ তৈরি করা একটি অমার্জনীয় অপরাধ। কর্মকর্তাদের শ্রেনী অনুযায়ী কর্মবিভাজন সম্পর্কে বিস্তারিত জানার জন্য তিনি সাংবাদিককে উপদেশ দেন। এসব নোংরা কথা লিখে এই সাংবাদিক ও সংবাদপত্র পুরো ক্যাডার সার্ভিসকে অপমানিত করেছে।

দেখা যায়, উক্ত সাংবাদিক ও সংবাদ পত্র ভুয়া সংবাদ পরিবেশনের দায়ে ইতোমধ্যেই মাউশির পরিচালক মনিটরিং ও ইভ্যালুয়েশন দ্বারা করা মানহানির মামলার আসামী। ২০১৬ সাল থেকে বিএনপি জামাত নেত্রী ট্যাগ দিয়ে আসা (প্রমান সংরক্ষিত) পত্রিকাটি এখন আমাকে এনসিপির জননী বানাচ্ছে। এদের ব্যবহার করে কারা এসব করাচ্ছে জানা ক্যাডার সার্ভিসের সম্মান রক্ষার্থে জরুরী। যেখানে আওয়ামী ফ্যাস্টিদের বিরুদ্ধে আমি একজন জুলাই যুদ্ধের একজন সক্রিয় কর্মী এবং জুলাই শহীদ ও আহত যোদ্ধাদের নিজ বেতনের টাকায় গত এক বছর সেবা দিয়ে চলেছি (প্রমাণ সংরক্ষিত) সেই আমি নাকি ফ্যাসিস্টদের আড়াল দিচ্ছি। এতটাই নাকি আমার ক্ষমতা! এই জঘন্য মিথ্যাচারের কিন্তু অবশ্যই প্রমাণ দিতে হবে। প্রফেসর প্রিম রিজভী বলেন, “প্রমাণ ছাড়াই কোনো রকম রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার মিথ্যা সংবাদ, মন্ত্রণালয়ে কারও পদায়নের জন্য তদবির করার বানোয়াট মন্তব্য, দক্ষিণ কোরিয়ায় (০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত) ইনভাইটেশনাল প্রশিক্ষণ প্রোগ্রামে কোনো প্রশিক্ষণার্থী মনোনয়ন দেয়ার মত ভুয়া সংবাদ এমনকি নিকট অতীতে মন্ত্রণালয়ে না যাওয়া সত্বেও সেখানে আমার উপস্থিতির সংবাদ পরিবেশনে আমার মানহানি হয়েছে।”

এ সকল তথ্যের সত্যতা প্রমাণ করতে ব্যর্থ হলে তিনি পত্রিকাটির বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করতে বাধ্য হবেন বলেও জানান।