ঢাকা ০৪:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রভাতফেরিতে একুশের অঙ্গীকার, শহীদদের স্মরণে নারিকেলবাড়ীয়া বিদ্যালয়ের পুষ্প অর্পণ জামায়াতে যোগ দিয়ে মন্তব্য:/৮০% মুসলমানের এই দেশে কোনো বিধর্মী সংসদ প্রতিনিধি থাকতে পারে না জঙ্গল সলিমপুরে অভিযানকালে গুলিতে র‍্যাব কর্মকর্তা নিহত, জিম্মি ৩ দেশের ইতিহাসে এত কম সময়ে এর চেয়ে বেশি সংস্কার আর হয়নি: আসিফ নজরুল রোজায় সংকট ঠেকাতে থাইল্যান্ড থেকে আসবে ১ কোটি ৩৫ লাখ লিটার সয়াবিন ৩৯ কেন্দ্রের ১৭৮টি বুথে চলছে জকসু নির্বাচনের ভোটগ্রহণ গুম কমিশন/গোপন বন্দিশালার আলামত প্রত্যেক বাহিনীই ধ্বংস করেছে র‍্যাব বিলুপ্তির সুপারিশ করেছে গুম তদন্ত কমিশন গুমের অভিযোগে র‍্যাব শীর্ষে, এরপর পুলিশ: এখনো নিখোঁজ ২৫১ জন জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ:/১৮ মাস পর ৮ জনের পরিচয় শনাক্ত

প্রভাতফেরিতে একুশের অঙ্গীকার, শহীদদের স্মরণে নারিকেলবাড়ীয়া বিদ্যালয়ের পুষ্প অর্পণ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:০১:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১৭২ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক,

মহান একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলনের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেছে নারিকেলবাড়ীয়া উচ্চ বিদ্যালয় শিক্ষক শিক্ষার্থীরা।

শনিবার (২১ফেব্রুয়ারি) সকালে যশোর জেলার বাঘারপাড়ার নারিকেলবাড়ীয়া উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অবস্থিত শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয় এবং শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়।

অপূর্ব কুমার ঘোষ বলেন, ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগ বাঙালি জাতির চেতনায় চির অম্লান হয়ে থাকবে। নতুন প্রজন্মের মাঝে ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস তুলে ধরে দেশপ্রেম ও মাতৃভাষার প্রতি ভালোবাসা জাগ্রত করার আহ্বানও জানান তিনি।

মহান একুশে ফেব্রুয়ারি শুধু শোকের নয়, গৌরবেরও দিন জানিয়ে তিনি বলেন, ভাষা শহীদদের রক্তে অর্জিত বাংলা ভাষার মর্যাদা রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করাতে হবে।

ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোছাঃকোহিনুর আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটিতে উপস্থিত ছিলেন, সিনিয়র শিক্ষক বায়েজিদ বোস্তামী, উজ্জ্বল কুমার মন্ডল, অপূর্ব কুমার ঘোষ, মোঃ ইমরুল হোসেনসহ প্রমুখ।

এছাড়াও শহীদদের স্মরণে দোয়া অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সিনিয়র শিক্ষক মোঃ ইলিয়াস শাহ,অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সিনিয়র শিক্ষক রিপন কুমার সাহা।

প্রসঙ্গত, ১৯৫২ সালের এই দিনে মাতৃভাষা বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে আন্দোলনরত ছাত্রদের ওপর তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর গুলিতে শহীদ হন সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারসহ নাম না জানা আরও অনেকে। তাঁদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়েই বাংলা ভাষা পায় রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা, যা পরবর্তীতে জাতির স্বাধীনতা আন্দোলনের পথ সুগম করে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

প্রভাতফেরিতে একুশের অঙ্গীকার, শহীদদের স্মরণে নারিকেলবাড়ীয়া বিদ্যালয়ের পুষ্প অর্পণ

আপডেট সময় : ০৪:০১:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,

মহান একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলনের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেছে নারিকেলবাড়ীয়া উচ্চ বিদ্যালয় শিক্ষক শিক্ষার্থীরা।

শনিবার (২১ফেব্রুয়ারি) সকালে যশোর জেলার বাঘারপাড়ার নারিকেলবাড়ীয়া উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অবস্থিত শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয় এবং শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়।

অপূর্ব কুমার ঘোষ বলেন, ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগ বাঙালি জাতির চেতনায় চির অম্লান হয়ে থাকবে। নতুন প্রজন্মের মাঝে ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস তুলে ধরে দেশপ্রেম ও মাতৃভাষার প্রতি ভালোবাসা জাগ্রত করার আহ্বানও জানান তিনি।

মহান একুশে ফেব্রুয়ারি শুধু শোকের নয়, গৌরবেরও দিন জানিয়ে তিনি বলেন, ভাষা শহীদদের রক্তে অর্জিত বাংলা ভাষার মর্যাদা রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করাতে হবে।

ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোছাঃকোহিনুর আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটিতে উপস্থিত ছিলেন, সিনিয়র শিক্ষক বায়েজিদ বোস্তামী, উজ্জ্বল কুমার মন্ডল, অপূর্ব কুমার ঘোষ, মোঃ ইমরুল হোসেনসহ প্রমুখ।

এছাড়াও শহীদদের স্মরণে দোয়া অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সিনিয়র শিক্ষক মোঃ ইলিয়াস শাহ,অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সিনিয়র শিক্ষক রিপন কুমার সাহা।

প্রসঙ্গত, ১৯৫২ সালের এই দিনে মাতৃভাষা বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে আন্দোলনরত ছাত্রদের ওপর তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর গুলিতে শহীদ হন সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারসহ নাম না জানা আরও অনেকে। তাঁদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়েই বাংলা ভাষা পায় রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা, যা পরবর্তীতে জাতির স্বাধীনতা আন্দোলনের পথ সুগম করে।