ঢাকা ০৭:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জামায়াতে যোগ দিয়ে মন্তব্য:/৮০% মুসলমানের এই দেশে কোনো বিধর্মী সংসদ প্রতিনিধি থাকতে পারে না জঙ্গল সলিমপুরে অভিযানকালে গুলিতে র‍্যাব কর্মকর্তা নিহত, জিম্মি ৩ দেশের ইতিহাসে এত কম সময়ে এর চেয়ে বেশি সংস্কার আর হয়নি: আসিফ নজরুল রোজায় সংকট ঠেকাতে থাইল্যান্ড থেকে আসবে ১ কোটি ৩৫ লাখ লিটার সয়াবিন ৩৯ কেন্দ্রের ১৭৮টি বুথে চলছে জকসু নির্বাচনের ভোটগ্রহণ গুম কমিশন/গোপন বন্দিশালার আলামত প্রত্যেক বাহিনীই ধ্বংস করেছে র‍্যাব বিলুপ্তির সুপারিশ করেছে গুম তদন্ত কমিশন গুমের অভিযোগে র‍্যাব শীর্ষে, এরপর পুলিশ: এখনো নিখোঁজ ২৫১ জন জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ:/১৮ মাস পর ৮ জনের পরিচয় শনাক্ত সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একসঙ্গে করার বৈধতা নিয়ে রিট

জঙ্গল সলিমপুরে অভিযানকালে গুলিতে র‍্যাব কর্মকর্তা নিহত, জিম্মি ৩

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:০৬:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬ ৫৫ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চট্টগ্রাম প্রতিবেদক,

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুরে অভিযানকালে সন্ত্রাসীদের গুলিতে র‍্যাবের এক কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন র‍্যাব সদস্য আহত হয়েছেন। এছাড়া র‍্যাবের তিন সদস্যকে জিম্মি করে রাখার তথ্যও পাওয়া গেছে।

নিহত র‍্যাব কর্মকর্তার নাম মোতালেব। তিনি ডিএডি পদমর্যাদায় র‍্যাবের পতেঙ্গা ব্যাটালিয়নে কর্মরত ছিলেন। আহতরা হলেন- ল্যান্সনায়েক এমাম, কনস্টেবল রিফাত ও নায়েক আরিফ।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) সিরাজুল ইসলাম র‍্যাব কর্মকর্তার নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

র‍্যাব সূত্র জানায়, সোমবার বিকেলে পতেঙ্গা ব্যাটালিয়নের একটি দল জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় অভিযানে যায়। এসময় সন্ত্রাসীরা র‍্যাব সদস্যদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে মোতালেব গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। একই ঘটনায় তিন র‍্যাব সদস্যকে সন্ত্রাসীরা জিম্মি করে রেখেছে বলে জানা গেছে।

সীতাকুণ্ড থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জাফর আহমদ ভূঁইয়া বলেন, ঘটনাস্থলে আমরা অবস্থান করছি। ওসি এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন। এলাকায় অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় গত চার দশকের বেশি সময় ধরে সরকারি পাহাড় ও খাসজমি দখল করে কয়েক হাজার অবৈধ বসতি গড়ে উঠেছে। দুর্গম পাহাড়ি এলাকা হওয়ায় এটি দীর্ঘদিন ধরে পাহাড়খেকো, ভূমিদস্যু ও সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে পরিচিত। এলাকাটি সশস্ত্র পাহারার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয় এবং বহিরাগতদের প্রবেশ কার্যত নিষিদ্ধ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জঙ্গল সলিমপুরে অভিযানকালে গুলিতে র‍্যাব কর্মকর্তা নিহত, জিম্মি ৩

আপডেট সময় : ১২:০৬:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

চট্টগ্রাম প্রতিবেদক,

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুরে অভিযানকালে সন্ত্রাসীদের গুলিতে র‍্যাবের এক কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন র‍্যাব সদস্য আহত হয়েছেন। এছাড়া র‍্যাবের তিন সদস্যকে জিম্মি করে রাখার তথ্যও পাওয়া গেছে।

নিহত র‍্যাব কর্মকর্তার নাম মোতালেব। তিনি ডিএডি পদমর্যাদায় র‍্যাবের পতেঙ্গা ব্যাটালিয়নে কর্মরত ছিলেন। আহতরা হলেন- ল্যান্সনায়েক এমাম, কনস্টেবল রিফাত ও নায়েক আরিফ।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) সিরাজুল ইসলাম র‍্যাব কর্মকর্তার নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

র‍্যাব সূত্র জানায়, সোমবার বিকেলে পতেঙ্গা ব্যাটালিয়নের একটি দল জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় অভিযানে যায়। এসময় সন্ত্রাসীরা র‍্যাব সদস্যদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে মোতালেব গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। একই ঘটনায় তিন র‍্যাব সদস্যকে সন্ত্রাসীরা জিম্মি করে রেখেছে বলে জানা গেছে।

সীতাকুণ্ড থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জাফর আহমদ ভূঁইয়া বলেন, ঘটনাস্থলে আমরা অবস্থান করছি। ওসি এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন। এলাকায় অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় গত চার দশকের বেশি সময় ধরে সরকারি পাহাড় ও খাসজমি দখল করে কয়েক হাজার অবৈধ বসতি গড়ে উঠেছে। দুর্গম পাহাড়ি এলাকা হওয়ায় এটি দীর্ঘদিন ধরে পাহাড়খেকো, ভূমিদস্যু ও সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে পরিচিত। এলাকাটি সশস্ত্র পাহারার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয় এবং বহিরাগতদের প্রবেশ কার্যত নিষিদ্ধ।