ঢাকা ০৭:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জামায়াতে যোগ দিয়ে মন্তব্য:/৮০% মুসলমানের এই দেশে কোনো বিধর্মী সংসদ প্রতিনিধি থাকতে পারে না জঙ্গল সলিমপুরে অভিযানকালে গুলিতে র‍্যাব কর্মকর্তা নিহত, জিম্মি ৩ দেশের ইতিহাসে এত কম সময়ে এর চেয়ে বেশি সংস্কার আর হয়নি: আসিফ নজরুল রোজায় সংকট ঠেকাতে থাইল্যান্ড থেকে আসবে ১ কোটি ৩৫ লাখ লিটার সয়াবিন ৩৯ কেন্দ্রের ১৭৮টি বুথে চলছে জকসু নির্বাচনের ভোটগ্রহণ গুম কমিশন/গোপন বন্দিশালার আলামত প্রত্যেক বাহিনীই ধ্বংস করেছে র‍্যাব বিলুপ্তির সুপারিশ করেছে গুম তদন্ত কমিশন গুমের অভিযোগে র‍্যাব শীর্ষে, এরপর পুলিশ: এখনো নিখোঁজ ২৫১ জন জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ:/১৮ মাস পর ৮ জনের পরিচয় শনাক্ত সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একসঙ্গে করার বৈধতা নিয়ে রিট

হাদি হত্যাকাণ্ড:/মেঘালয়ে গ্রেপ্তার হয়নি কেউ, বাংলাদেশ পুলিশের দাবি অসত্য বলছে মেঘালয় পুলিশ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৪৫:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫ ১১১ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক,

শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের ভারতে অবস্থানে সহায়তা করায় দুজনকে আটকের খবরকে ভুয়া ও অসত্য বলে দাবি করেছে মেঘালয় পুলিশ।

রবিবার (২৮ ডিসেম্বর) মেঘালয় পুলিশের একটি সূত্র গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। এছাড়াও ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনীও (বিএসএফ) ডিএমপির দাবি দুটি প্রত্যাখ্যান করেছে।

হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, হাদি হত্যার প্রধান দুই সন্দেহভাজন হালুয়াঘাট সীমান্ত দিয়ে মেঘালয়ে পালিয়ে গেছেন এবং এখন সেই রাজ্যে অবস্থান করছেন— বাংলাদেশ পুলিশের এমন বক্তব্যকে প্রত্যাখ্যান করেছেন মেঘালয় পুলিশের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা।

মেঘালয় পুলিশের ওই শীর্ষ কর্মকর্তার বরাতে বলা হয়েছে, পুত্তি বা সামি নামে কাউকেই মেঘালয়ের কোথাও শনাক্ত করা যায়নি, খুঁজে পাওয়া বা গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। ধারণা করা যায়, ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কোনো প্রকার ভেরিফিকেশন বা সমন্বয় ছাড়াই এই বিবরণ তৈরি করা হয়েছে।

মেঘালয় পুলিশের এই দাবির পক্ষে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীও সমর্থন জানিয়েছে বলে হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়।

বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী রাজ্যটির পুলিশ বলছে, ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের সহায়তা করার অপরাধে এ পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। বাংলাদেশ পুলিশও আমাদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক কোনো যোগাযোগ করেনি। এ ধরনের যে তথ্য বাংলাদেশের গণমাধ্যমে ছড়াচ্ছে, তা সত্য নয়।

তাদের ভাষ্য, সংবাদমাধ্যমে যে দুজনের নাম বলা হচ্ছে— ফয়সাল করিম মাসুদ ও আলমগীর শেখ, তারা ভারতে আশ্রয় নিয়েছে এমন কোনো তথ্য নেই। ফলে তাদের সহায়তা এবং সে কারণে কাউকে গ্রেপ্তারের প্রশ্ন আসে না।

হাদির হত্যাকারীদের দুই সহযোগী ভারতে গ্রেফতার:ডিএমপি

এর আগে আজ রোববার (২৮ডিসেম্বর) দুপুরে হাদি হত্যা মামলার অগ্রগতি জানাতে সংবাদ সম্মেলনে আসেন ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন্স) এস এন মো. নজরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, হাদি হত্যার প্রধান দুই সন্দেহভাজন ফয়সাল করিম এবং আলমগীর শেখ ভারতে পালিয়ে গেছেন। মেঘালয় পুলিশের সঙ্গে ইনফরমাল চ্যানেলে যোগাযোগ করে তারা জানতে পেরেছেন, মেঘালয় পুলিশ ফয়সাল করিমকে সহায়তাকারী পুত্তি ও সামি নামে দুজনকে গ্রেফতার করেছে। এরপর তিনি পালিয়ে যাওয়ার একটি বর্ণনাও দেন। এর ঘণ্টা দুয়েক পরেই হিন্দুস্তান টাইমসের অনলাইনে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বিএসএফ ও মেঘালয় পুলিশের বরাত দিয়ে ডিএমপির দাবি অস্বীকার করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

হাদি হত্যাকাণ্ড:/মেঘালয়ে গ্রেপ্তার হয়নি কেউ, বাংলাদেশ পুলিশের দাবি অসত্য বলছে মেঘালয় পুলিশ

আপডেট সময় : ১০:৪৫:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক,

শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের ভারতে অবস্থানে সহায়তা করায় দুজনকে আটকের খবরকে ভুয়া ও অসত্য বলে দাবি করেছে মেঘালয় পুলিশ।

রবিবার (২৮ ডিসেম্বর) মেঘালয় পুলিশের একটি সূত্র গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। এছাড়াও ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনীও (বিএসএফ) ডিএমপির দাবি দুটি প্রত্যাখ্যান করেছে।

হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, হাদি হত্যার প্রধান দুই সন্দেহভাজন হালুয়াঘাট সীমান্ত দিয়ে মেঘালয়ে পালিয়ে গেছেন এবং এখন সেই রাজ্যে অবস্থান করছেন— বাংলাদেশ পুলিশের এমন বক্তব্যকে প্রত্যাখ্যান করেছেন মেঘালয় পুলিশের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা।

মেঘালয় পুলিশের ওই শীর্ষ কর্মকর্তার বরাতে বলা হয়েছে, পুত্তি বা সামি নামে কাউকেই মেঘালয়ের কোথাও শনাক্ত করা যায়নি, খুঁজে পাওয়া বা গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। ধারণা করা যায়, ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কোনো প্রকার ভেরিফিকেশন বা সমন্বয় ছাড়াই এই বিবরণ তৈরি করা হয়েছে।

মেঘালয় পুলিশের এই দাবির পক্ষে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীও সমর্থন জানিয়েছে বলে হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়।

বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী রাজ্যটির পুলিশ বলছে, ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের সহায়তা করার অপরাধে এ পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। বাংলাদেশ পুলিশও আমাদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক কোনো যোগাযোগ করেনি। এ ধরনের যে তথ্য বাংলাদেশের গণমাধ্যমে ছড়াচ্ছে, তা সত্য নয়।

তাদের ভাষ্য, সংবাদমাধ্যমে যে দুজনের নাম বলা হচ্ছে— ফয়সাল করিম মাসুদ ও আলমগীর শেখ, তারা ভারতে আশ্রয় নিয়েছে এমন কোনো তথ্য নেই। ফলে তাদের সহায়তা এবং সে কারণে কাউকে গ্রেপ্তারের প্রশ্ন আসে না।

হাদির হত্যাকারীদের দুই সহযোগী ভারতে গ্রেফতার:ডিএমপি

এর আগে আজ রোববার (২৮ডিসেম্বর) দুপুরে হাদি হত্যা মামলার অগ্রগতি জানাতে সংবাদ সম্মেলনে আসেন ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন্স) এস এন মো. নজরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, হাদি হত্যার প্রধান দুই সন্দেহভাজন ফয়সাল করিম এবং আলমগীর শেখ ভারতে পালিয়ে গেছেন। মেঘালয় পুলিশের সঙ্গে ইনফরমাল চ্যানেলে যোগাযোগ করে তারা জানতে পেরেছেন, মেঘালয় পুলিশ ফয়সাল করিমকে সহায়তাকারী পুত্তি ও সামি নামে দুজনকে গ্রেফতার করেছে। এরপর তিনি পালিয়ে যাওয়ার একটি বর্ণনাও দেন। এর ঘণ্টা দুয়েক পরেই হিন্দুস্তান টাইমসের অনলাইনে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বিএসএফ ও মেঘালয় পুলিশের বরাত দিয়ে ডিএমপির দাবি অস্বীকার করা হয়।