ঢাকা ০৪:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জামায়াতে যোগ দিয়ে মন্তব্য:/৮০% মুসলমানের এই দেশে কোনো বিধর্মী সংসদ প্রতিনিধি থাকতে পারে না জঙ্গল সলিমপুরে অভিযানকালে গুলিতে র‍্যাব কর্মকর্তা নিহত, জিম্মি ৩ দেশের ইতিহাসে এত কম সময়ে এর চেয়ে বেশি সংস্কার আর হয়নি: আসিফ নজরুল রোজায় সংকট ঠেকাতে থাইল্যান্ড থেকে আসবে ১ কোটি ৩৫ লাখ লিটার সয়াবিন ৩৯ কেন্দ্রের ১৭৮টি বুথে চলছে জকসু নির্বাচনের ভোটগ্রহণ গুম কমিশন/গোপন বন্দিশালার আলামত প্রত্যেক বাহিনীই ধ্বংস করেছে র‍্যাব বিলুপ্তির সুপারিশ করেছে গুম তদন্ত কমিশন গুমের অভিযোগে র‍্যাব শীর্ষে, এরপর পুলিশ: এখনো নিখোঁজ ২৫১ জন জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ:/১৮ মাস পর ৮ জনের পরিচয় শনাক্ত সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একসঙ্গে করার বৈধতা নিয়ে রিট

আজ বছরের দীর্ঘতম রাত, কাল ক্ষুদ্রতম দিন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৫১:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৭৬ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ফিচার ডেস্ক,

আজ রাতটা বছরের সবচেয়ে দীর্ঘতম রাত। যেমন বছরের সবচেয়ে বড় দিন ২১ জুন। সেই হিসাবে আজ রোববার রাতটি বছরের সবচেয়ে বড় রাত। কাল অর্থাৎ সোমবার (২২ ডিসেম্বর) হবে ক্ষুদ্রতম দিন। বাংলাদেশসহ উত্তর গোলার্ধের সব দেশের মানুষদের জন্য আজ (২১ ডিসেম্বর) বছরের সবচেয়ে দীর্ঘতম রাত।

উত্তর গোলার্ধে আজ দ্রুত সন্ধ্যা নামলেও বছরের সবচেয়ে বেশি সময় লাগবে রাত শেষ হতে। সৌরজগতের নিয়ম অনুযায়ী পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘোরে। এ সময় যে কোনো একদিকে একটু হেলে থাকে সূর্য। ফলে কখনো উত্তর গোলার্ধ সূর্যের কাছাকাছি আসে, আবার কখনো দক্ষিণ গোলার্ধ।

২১ জুন দিনটিতে উত্তর গোলার্ধ সূর্যের কাছাকাছি থাকে। তাই সূর্যের রশ্মি দীর্ঘসময় পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধে পড়ে। ফলে বছরের দীর্ঘতম দিন হয় এটি। সূর্য এদিন কর্কটক্রান্তি রেখায় লম্বভাবে বা খাড়াভাবে কিরণ দেয়।

মার্চ থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধে দেশগুলোতে বেশি পরিমাণ সূর্যালোক পৌঁছায়। এর ফলে এই সময়কালে সেইসব দেশে গ্রীষ্মকাল থাকে। বিজ্ঞানের ভাষায় একেই বলে ‘সামার সলসটিস’ বা উত্তরায়ণ। এরপর থেকে দিন ছোট হতে শুরু করে।

ডিসেম্বর মাস থেকে পৃথিবীর দক্ষিণ গোলার্ধ সূর্যের দিকে হেলতে থাকে। আর উত্তর গোলার্ধ চলে যায় অনেকটা দূরে। এই সময় উত্তরে সূর্যের আলো ক্ষীণভাবে পড়ে। ফলে সেখানে তখন সৃষ্টি হয় শীতকাল, আর দক্ষিণে গরমকাল।

২১ ডিসেম্বর দিনটিতে উত্তর গোলার্ধ সূর্যের থেকে অনেকটাই দূরে থাকে। ফলে সেখানে সূর্যের আলো এতটাই কম পড়ে যে দিন খুব তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে যায় বলে মনে হয় আর রাত হয় দীর্ঘ। একে বলে উইন্টার সলসটিস বা সূর্যের দক্ষিণ অয়নান্ত। এই সময় দক্ষিণ গোলার্ধে দিন সবচেয়ে বড় হয় আর উত্তর গোলার্ধে রাত দীর্ঘতম হয়। অর্থাৎ একই সময়ে পৃথিবীর দক্ষিণ গোলার্ধে থাকবে দীর্ঘতম দিন ও ক্ষুদ্রতম রাত।

দীর্ঘ এ রাতের পুরোটা সময় ধরেই কুয়াশা আর চাঁদের আলোর আবছায়া মহোময় করে তুলবে আশপাশের পরিবেশ। সঙ্গীর হাত ধরে শীত গায়ে জড়িয়ে হাঁটতে পারেন কোনো রাস্তায় কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা মজায় উপভোগ করতে পারেন আজ রাতটা।

চাইলে অনেকদিন ধরে দেখব দেখব করে জমানো নেটফ্লিক্সের কোনো সিরিজ দেখে নিতে পারেন। কিংবা একটি বই পড়তে পারেন। ফেলে রাখা ডাইরির পাতায় লিখতে পারেন মনের কোনো কথা, গান কিংবা কবিতা। চাইলে রান্না করতে পারেন মজার কিছু, প্রিয়জনের সঙ্গে জুড়ে দিতে পারেন গল্প। কর্মব্যস্ততায় যা বলা হয়ে ওঠে না প্রতিদিন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

আজ বছরের দীর্ঘতম রাত, কাল ক্ষুদ্রতম দিন

আপডেট সময় : ০২:৫১:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫

ফিচার ডেস্ক,

আজ রাতটা বছরের সবচেয়ে দীর্ঘতম রাত। যেমন বছরের সবচেয়ে বড় দিন ২১ জুন। সেই হিসাবে আজ রোববার রাতটি বছরের সবচেয়ে বড় রাত। কাল অর্থাৎ সোমবার (২২ ডিসেম্বর) হবে ক্ষুদ্রতম দিন। বাংলাদেশসহ উত্তর গোলার্ধের সব দেশের মানুষদের জন্য আজ (২১ ডিসেম্বর) বছরের সবচেয়ে দীর্ঘতম রাত।

উত্তর গোলার্ধে আজ দ্রুত সন্ধ্যা নামলেও বছরের সবচেয়ে বেশি সময় লাগবে রাত শেষ হতে। সৌরজগতের নিয়ম অনুযায়ী পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘোরে। এ সময় যে কোনো একদিকে একটু হেলে থাকে সূর্য। ফলে কখনো উত্তর গোলার্ধ সূর্যের কাছাকাছি আসে, আবার কখনো দক্ষিণ গোলার্ধ।

২১ জুন দিনটিতে উত্তর গোলার্ধ সূর্যের কাছাকাছি থাকে। তাই সূর্যের রশ্মি দীর্ঘসময় পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধে পড়ে। ফলে বছরের দীর্ঘতম দিন হয় এটি। সূর্য এদিন কর্কটক্রান্তি রেখায় লম্বভাবে বা খাড়াভাবে কিরণ দেয়।

মার্চ থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধে দেশগুলোতে বেশি পরিমাণ সূর্যালোক পৌঁছায়। এর ফলে এই সময়কালে সেইসব দেশে গ্রীষ্মকাল থাকে। বিজ্ঞানের ভাষায় একেই বলে ‘সামার সলসটিস’ বা উত্তরায়ণ। এরপর থেকে দিন ছোট হতে শুরু করে।

ডিসেম্বর মাস থেকে পৃথিবীর দক্ষিণ গোলার্ধ সূর্যের দিকে হেলতে থাকে। আর উত্তর গোলার্ধ চলে যায় অনেকটা দূরে। এই সময় উত্তরে সূর্যের আলো ক্ষীণভাবে পড়ে। ফলে সেখানে তখন সৃষ্টি হয় শীতকাল, আর দক্ষিণে গরমকাল।

২১ ডিসেম্বর দিনটিতে উত্তর গোলার্ধ সূর্যের থেকে অনেকটাই দূরে থাকে। ফলে সেখানে সূর্যের আলো এতটাই কম পড়ে যে দিন খুব তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে যায় বলে মনে হয় আর রাত হয় দীর্ঘ। একে বলে উইন্টার সলসটিস বা সূর্যের দক্ষিণ অয়নান্ত। এই সময় দক্ষিণ গোলার্ধে দিন সবচেয়ে বড় হয় আর উত্তর গোলার্ধে রাত দীর্ঘতম হয়। অর্থাৎ একই সময়ে পৃথিবীর দক্ষিণ গোলার্ধে থাকবে দীর্ঘতম দিন ও ক্ষুদ্রতম রাত।

দীর্ঘ এ রাতের পুরোটা সময় ধরেই কুয়াশা আর চাঁদের আলোর আবছায়া মহোময় করে তুলবে আশপাশের পরিবেশ। সঙ্গীর হাত ধরে শীত গায়ে জড়িয়ে হাঁটতে পারেন কোনো রাস্তায় কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা মজায় উপভোগ করতে পারেন আজ রাতটা।

চাইলে অনেকদিন ধরে দেখব দেখব করে জমানো নেটফ্লিক্সের কোনো সিরিজ দেখে নিতে পারেন। কিংবা একটি বই পড়তে পারেন। ফেলে রাখা ডাইরির পাতায় লিখতে পারেন মনের কোনো কথা, গান কিংবা কবিতা। চাইলে রান্না করতে পারেন মজার কিছু, প্রিয়জনের সঙ্গে জুড়ে দিতে পারেন গল্প। কর্মব্যস্ততায় যা বলা হয়ে ওঠে না প্রতিদিন।